গণিত ইংররেজির পদশূন্য ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত শিক্ষক ছয়জন দিয়ে চলছে পাঠদান
তৈয়বুর রহমান কিশোর
Update Time :
বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
৬০৯
Time View
গণিত ইংররেজির পদশূন্য ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত শিক্ষক ছয়জন দিয়ে চলছে পাঠদান
বেয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীকে নিয়মিত ছয়জন শিক্ষক দিয়ে চলছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বহু বছর ধরে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে স্বল্পতা। জনবল সংকটে চলছে অর্ধশত বছরের পুরনো এ বিদ্যালয়টি। আর গণিত, ইংরেজির মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। জানা যায়, পৌর সদরের খেলার মাঠ সংলগ্নে অবস্থিত সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ৬৫৪ জন। বিদ্যালয়টি ১৯৬৫ সালে স্থাপিত। ১৯৮৮ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি হয়। বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে রয়েছে ১৩৯ জন, ৭ম শ্রেণিতে ১৪২ জন, ৮ম শ্রেণিতে ১৩৬ জন, ৯ম শ্রেণিতে ১৪১ জন ও ১০ম শ্রেণিতে ৯৭ জন ছাত্রী। ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত...
161
বেয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীকে নিয়মিত ছয়জন শিক্ষক দিয়ে চলছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বহু বছর ধরে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে স্বল্পতা। জনবল সংকটে চলছে অর্ধশত বছরের পুরনো এ বিদ্যালয়টি। আর গণিত, ইংরেজির মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
জানা যায়, পৌর সদরের খেলার মাঠ সংলগ্নে অবস্থিত সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ৬৫৪ জন। বিদ্যালয়টি ১৯৬৫ সালে
স্থাপিত। ১৯৮৮ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি হয়। বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে রয়েছে ১৩৯ জন, ৭ম শ্রেণিতে ১৪২ জন, ৮ম শ্রেণিতে ১৩৬ জন, ৯ম শ্রেণিতে ১৪১ জন ও ১০ম শ্রেণিতে ৯৭ জন ছাত্রী। ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করানো এ প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকের পদ ১১টি। গণিত, ইংরেজি, বাংলাসহ ৫টি পদ শূন্য রয়েছে দীর্ঘদিন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন মাত্র ৬ জন শিক্ষক। দপ্তরি, অফিস সহকারী, নৈশ প্রহরীর পদও শূন্য রয়েছে। ৬ জন শিক্ষক ও খণ্ডকালীন ৪ জন শিক্ষক দিয়ে কোনমতে চলছে বিদ্যালয়টি । নিয়মিত শিক্ষক শিক্ষার্থীর অনুপাত হচ্ছে ১:১০৯ আর খণ্ডকালীন শিক্ষকসহ মোট শিক্ষক শিক্ষার্থীর অনুপাত হচ্ছে ১:৬৫।
সূত্র মতে, মাধ্যমিক শিক্ষাখাতের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত হওয়ার কথা ১:৩০। এমনকি জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ সেই পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল এবং এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ২০১৮ সালে নির্ধারণ করা হয়েছিল।
গত পাঁচ বছর যাবৎ প্রধান শিক্ষক এবং দুই বছরের বেশি সময় ধরে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে প্রধান শিক্ষক নেই। আর সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই থেকে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে এ টি এম চুন্নু মিয়া ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ টি এম চুন্নু মিয়া বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা অপ্রতুল। জনবল সংকটে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের শূন্যপদ পূরণের জন্য গত সেপ্টেম্বর মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার ঢাকা অঞ্চলের উপপরিচালক বরাবর আবেদন করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন। খুব দ্রুত শূন্যপদ গুলো পূরণ করা হবে।