1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের দায়ে আরেক মাদ্রাসাছাত্রের ৫ বছরের কারাদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ Time View
5

বিশেষ প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা সদরের কাছিমুল উলুম মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সী এক ছাত্রকে অপহরণের দায়ে রুবেল খন্দকার (৩০) নামে এক যুবককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এ মামলার অপর আসামি সোহেল মোল্লা (২৯)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত রুবেল খন্দকার ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আশফরদী গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরকান্দার কাছিমুল উলুম মাদ্রাসার ওই ছাত্রকে পাশের বাসস্ট্যান্ডে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে যায় রুবেল খন্দকার। শিশুটি ও রুবেল একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় সে তার সঙ্গে যেতে রাজি হয়। পরে শিশুটি মাদ্রাসায় ফিরে না আসায় ওইদিন সন্ধ্যায় তার বাবা নগরকান্দা থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি করেন।
এর দুই দিন পর একটি মুঠোফোন নম্বর থেকে শিশুটির বাবার মোবাইলে কল করে দুপুর ও রাতে দুই দফায় পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ সময় অপহরণকারী শিশুটির সঙ্গে তার বাবার কথাও বলিয়ে দেয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পর নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরিটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলায় রূপান্তর করা হয়।
মামলার অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার চার দিন পর ১৮ জানুয়ারি ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকা থেকে রুবেল খন্দকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার হেফাজত থেকে অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রুবেলের খালাতো ভাই সোহেল মোল্লাকেও মামলায় আসামি করা হয়।
২০১৬ সালের ২৩ মে নগরকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত দত্ত রুবেল খন্দকার ও সোহেল মোল্লাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
রায়ের বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, “এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category