মধুখালী(ফরিদপুর) প্রতিনিধি ঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদর রহমান বলেছেন,আমি জেগে থাকতে পারলে মধুখালীর মানুষ ঠিকমতো ঘুমাতে পারবে আর আমি ঘুমে গেলে মধুখালীর মানুষকে জেগে থাকতে হবে,কষ্ট করতে হবে। আমি চাইবো আমি জেগে থেকে মধুখালীর মানুষকে নির্বিগ্নে ঘুমাতে দেব। আমি এখানে নতুন এসেছি। সবকিছু জানতে একটু সময় লাগবে। আপনারা আমাকে এবং আমার উপজেলা প্রশাসনের টিমকে সহযোগিতা করবেন। আমি আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ। আমরা সরকারের কর্মচারী, জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য এবং সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য আমাদেরকে পদায়ন করা হয়েছে। একই সাথে উপজেলার বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রমের সমন্বয়ের জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে। আমি আপনাদের সহযোগিতা পেলে সকল সেবা দিতে সর্বদা প্রস্তুত আছি। তিনি বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকাল চারটায় মধুখালী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মধুখালীর সুধীজনদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির ভাষনে কথাগুলো বলেন।
সদ্য যোগদানকৃত মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান সাথে মধুখালীর সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভায় উপজলো সহকারী কমিশনার(ভ’মি) প্রতিক দত্ত’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মধুখালী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ, সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলিম মানিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব এলাহী, মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সভাপতি আবুল বাশার বাদশা, বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী মতিউল ইসলাম মুরাদ, কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরান, উপজেলা দূর্ণীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আকতার হোসেন মুন্সি, মধুখালী পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক ইয়াছিন বিশ্বাস দেশ বাচাঁও,মানুষ বাচাঁও আন্দোলন কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি রকিবুল ইসলাম রিপন, মধুখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মনিরুজ্জামান মৃধা মন্নু, উপজেলা প্রেসক্লাবে সভাপতি মিজানুর রহান সরদার, সাবেক চেয়ারম্যান রহিম ফকির, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক এস.এম. মোক্তার হোসেন, সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম এনামুল, শিক্ষক নেতা ইউনুছ আলী ফকির, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম লিটন, মধুখালী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিম, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক খায়রুজ্জমান, প্রধান শিক্ষিকা অলোকা রাণী বিশ্বাস প্রমুখ।