এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে চরখানপুরের পদ্মার নদীর চর থেকে ঝাউগাছ নৌকায় করে নিয়ে আসার পথে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হন পবা উপজেলার শ্যামপুরের শান্তিনগর এলাকার আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম। এ ঘটনায় জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম প্রাণে বেঁচে যান। তারা রাজশাহীর বড়কুঠি এলাকায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হলেও স্রোতের বিষয়টি মাথায় রেখে আশপাশের এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
নিখোঁজ জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম বলেন, পানিতে ডুবে গেলে ভেসে যায়। কিন্তু তাদের পাওয়া গেল না। আল্লাহ জানে তাদের সঙ্গে শেষ দেখা হবে কিনা।
এদিকে নিখোঁজ আফছার আলীর পবা উপজেলার শ্যামপুরের শান্তিনগর এলাকার বাড়িতে স্বজনদের সঙ্গে স্থানীয়দের ভিড়।
সঙ্গে কান্না করছেন তাদের স্ত্রী-সন্তানেরা। প্রতিবেশী-স্বজনরা তাদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন। একই পরিবারে এমনভাবে দুজনের হারিয়ে যাওয়াতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।
এ বিষয়ে রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘নদীতে স্রোত রয়েছে। সকালে অভিযান পরিচালনা করার কথা ছিল।
কিন্তু নৌকা না আসার কারণে দেরি হয়ে যায়। নৌকা আসার পরে উদ্ধার অভিযান শুরু হয় দুপুরের দিকে। তবে বিকেল পর্যন্ত চেষ্টা করেও নিখোঁজ দুজনকে শনাক্ত করা যায়নি। ফলে সন্ধ্যার দিকে অভিযান দ্বিতীয় দিনের মতো স্থগিত করা হয়। রাতের মধ্যে না পেলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবার অভিযান শুরু করা হবে।’