1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন

আ’লীগ নেতা ও সরকারী কর্মকর্তা মিলে ১২ লাখ টাকা গিলে খেলেন বোয়ালমারীতে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ ও বরাদ্দ দিয়ে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৩ Time View
8

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা বিআরডিবি (বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড) কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে স্থাপনা নির্মাণ ও বরাদ্দ দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিআরডিবি ভবনের সামনে গড়ে ওঠা পল্লী উন্নয়ন মার্কেটের তিনটি দোকান ঘরের পিছনের অংশ কৌশলে সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিআরডিবির বর্তমান চেয়ারম্যান নবীর হোসেন চু্ন্নু এবং বিআরডিবির সাবেক কর্মকর্তা তাপস শাঁখারী প্রায় ১২ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। চাঞ্চল্যকর এই দুর্নীতির ঘটনা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের পাশাপাশি জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়,সরকারি কোন নির্দেশনা বা বরাদ্দ না থাকলেও চেয়ারম্যান নবীর হোসেন ও কর্মকর্তা শাখারী ঐ তিন দোকান মালিক বিপ্লব সাহা,মিন্টু কুমার দাস ও মোঃ মনির হোসেনের সঙ্গে গোপন চুক্তি করে তাদের দোকান ঘরের পিছনের অংশ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেন। প্রতিটি দোকান ঘরের পিছনে নতুন করে বড় আয়তনের তিনটি কক্ষ নির্মাণ করা হয়।

একেকটি ১০ ফুট চওড়া এবং ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের কক্ষ গুলো নির্মাণ করতে গিয়ে বি আর ডি,বি’র অফিস চত্বরের অধিক মূল্যবান প্রায় এক শতক জায়গা ব্যবহার করা হয়। এতে অফিস প্রাঙ্গণের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হয়েছে তেমনি তা হয়ে পড়েছে সংকীর্ণ। অপরদিকে সরকারি স্থাপনা বরাদ্দের কোন নিয়ম-কানুন অনুসরণ না করেই নবনির্মিত কক্ষ গুলো নতুন চুক্তিতে সংশ্লিষ্ট দোকান মালিকদের অনূকূলে হস্তান্তর করা হলেও নেপথ্যে বড় লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তিন বছর মেয়াদী চুক্তিতে কাগজ-কলমে মাসিক ১১ শত টাকা ভাড়া এবং ৫০ হাজার টাকা অগ্রিমের কথা বলা হলেও বাস্তবে কক্ষপ্রতি চার লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এক ব্যবসায়ীর স্বীকারোক্তিতে এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। অবশ্য কক্ষ গুলো নির্মাণে ২ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে জানা গেছে।

জানাযায়,বছর খানেক আগে বি আর ডি বি স্টাফদের গ্যারেজ হিসাবে ঘরগুলো স্থাপন করা হলেও সম্প্রতি অতি নিভৃতে তা দোকান মালিকদের অনূকূল হস্তান্তর করা হয়। কক্ষগুলো ব্যবসায়ীক কাজে ব্যবহার করতে গিয়ে ঘটনাটি স্থানীয়দের সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে,ঘর বরাদ্দে অনিয়ম-দূর্নীতি নিয়ে হৈচৈ শুরু হলে বি আর ডি বি কর্মকর্তা তাপস শাঁখারী তড়িঘড়ি বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান।

মুঠোফোনে এ বিষয়ে কথা হলে,তাপস শাঁখারী বলেন,ঘর বরাদ্দে কোন অনিয়ম হয়নি। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই ঘরগুলো করা হয়। তাছাড়া এ সংক্রান্তে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে গঠিত কমিটিই সব করেছে। আমি সাক্ষর করেছি মাত্র। আপনি চেয়ারম্যানের সঙ্গে একটু কথা বলুন-তিনি ভালো বলতে পারবেন।

জানতে চাইলে বি আর ডি বি’র চেয়ারম্যান ও ময়না ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি নবীর হোসেন চুন্নু বলেন,ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনেই ঘরগুলো করা হয়। এতে তাদেরও উপকার হয়েছে বি আর ডি বিরও নতুন রাজস্ব আয়ের একটা ব্যাবস্থা হয়েছে। বাড়তি কোন টাকা কারো কাছ থেকে নেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক ঈর্ষার কারণে কেউ কেউ তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নবীর হোসেন চুন্নু ।

নতুন দোকান ঘর নির্মাণ ও বরাদ্দ সম্পর্কিত ফরিদপুর জেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা দিনেশ কুমার মন্ডল বলেন, কিছু দিন আগে উপজেলা পরিষদের জায়গায় পরিষদের অর্থায়নে আমাদেরকে একটি মাতৃদুগ্ধ সেন্টার করে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বি আর ডি বির অর্থ ব্যায় করে নতুন কোন স্থাপনা নির্মাণ বা ভাড়া দেওয়ার তথ্য আমার জানানেই। এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখব।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category