ফরিদপুরের মধুখালীতে পাগল মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে বাপ ছেলে, মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে।
গত ২৯ আগস্ট আনুমানিক রাত ০৯ ঘটিকার সময় গাজনা ইউনিয়নের বেলেম্বর উত্তর পাড়া এলাকার মো: ইসমাইল শেখ নামে (৫৯) মানষিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে আহত করেছে একই এলাকার হাফিজুল মোল্লা ও আকবর মোল্লা। তারা দুজন সম্পর্কে বাবা, বেটা । এ ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
ইসমাইল শেখ এর ছোট ভাই মো: শাহজাহান এর আভিযোগ সূত্রে যানা যায়, সামাজিক বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়ে আসামীদের সহিত দীর্ঘ দিন যাবৎ বিরোধ চলিয়া আসিতেছিল। আমার আপন ভাই মো: ইসমাইল শেখ (৫৯) প্রায় ৩০ বছর যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন। সে কারো কোন ক্ষতি না করে সাধারণ ভাবে রাস্তায় চলাফেরা করে। আমার ভাই মো: ইসমাইল শেখকে আসামীরা বিভিন্ন ভাবে উপহাস সহ পাগল বলিয়া ডাকাডাকি করে এবং বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করে। যাহার জের ধরিয়া ইং ২৯/০৮/২০২৬ তারিখ রাত্র অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় বেলেশ্বর উত্তরপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদের পাশে পাকা রাস্তার উপর আমার ভাই ইসমাইল শেখ পৌছাইলে আমার ভাইকে একা পেয়ে আসামীরা পরস্পর একই উদ্দেশ্যে আমার ভাইকে পাগল বলিয়া উপহাস করে। আমার ভাই রাগান্বিত হইলে আসামী-হাফিজুল মোল্যা তাহার হাতে থাকা ছ্যানদা দিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে আমার ভাইয়ের মাথার মাঝখানে কোপ মারিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম করে। মাথার আঘাতে আমার ভাই পাকা রাস্তার উপর পড়ে গেলে আসামী-আকবর মোল্যা তাহার হাতে থাকা কাঠের বাটাম দিয়া আমার ভাইকে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করিয়া সজোরে বারি মারিলে আমার ভাই ডানহাত দিয়া ঠেকাইলে ডানহাতের কব্জির উপর লাগিয়া গুরুতর হাড়ভাঙ্গা জখম করে।
পথচারীদের আসিতে দেখিয়া আসামীরা আমার ভাইকে ভয়ভীতি প্রদান করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আমি খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং সাক্ষীদের নিকট ঘটনা বিস্তারিত শুনি। আমার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত আশংকাজনক দেখিয়া সাক্ষীদের সহায়তায় আমার ভাইকে পদচলতি ইজিবাইক যোগে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য নিয়ে ভর্তি করিয়া চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করি।
এ ব্যাপারে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সুকদেব রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করা হচ্ছে,আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।