বিশেষ প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ১১ বছর বয়সী ৫ম শ্রেণী পড়ুয়া এক শিশুকে স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে যৌ/ন নিপীড়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে হাজির ছিলেন।পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যাক্তির নাম হাফিজুর রহমান মোল্লা(৫৫)। তিনি বোয়ালমারী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে,২০২২ সালের ১৫ মে দুপুরের দিকে নিজের বাড়িতে একা ছিল পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ওই শিশুটি।তাকে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী হাফিজুর রহমান শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার দেয়।পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হাফিজুর পালিয়ে যায়।
মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়,এ ঘটনা ঘটার পর শিশুটির মা বাড়িতে এলে মাকে সব বলে দেয় সে।পরদিন ১৬ মে ওই শিশুর মা বাদী হয়ে হাফিজুর রহমানকে একমাত্র আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বোয়ালমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করেন বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এস আই) কবির আহমেদ।২০২২ সালের ২৭ জুন তিনি এ ঘটনার একমাত্র আসামী হাফিজুরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।