মধুখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নতুন ৪০০ ভোক্তা যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণ
মেহেদি হোসেন পলাশ
Update Time :
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
২৯৬
Time View
মধুখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নতুন ৪০০ ভোক্তা যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণ
মধুখালী উপজেলাতে চলমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় নতুন ৪০০ জন ভোক্তা যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা মাল্টিপারপাস হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওশনা জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মাহবুব এলাহী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কল্লোল সাহা, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মুহাম্মদ রুহল আমীন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সঞ্জীব কুমার মিত্র,মধুখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেদী হোসেন পলাশ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা। সভায় নতুন অন্তর্ভুক্ত ৪০০ জন ভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকৃত অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই...
330
মধুখালী উপজেলাতে চলমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় নতুন ৪০০ জন ভোক্তা যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা মাল্টিপারপাস হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওশনা জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মাহবুব এলাহী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কল্লোল সাহা, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মুহাম্মদ রুহল আমীন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সঞ্জীব কুমার মিত্র,মধুখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেদী হোসেন পলাশ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় নতুন অন্তর্ভুক্ত ৪০০ জন ভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকৃত অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওশনা জাহান বলেন, “খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সরকারের একটি মানবিক উদ্যোগ। এতে যেন প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষ উপকৃত হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্ব বরদাশত করা হবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রশাসন সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।