1. almoazzintv@gmail.com : Moniruzzaman Monnu : Moniruzzaman Monnu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

মধুখালীতে ইউএনও কিংবা এসিল্যান্ড নয় মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানালেন সহকারী সমাজ সেবা কর্মকর্তা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৫২৭ Time View
131

নিজস্ব প্রতিনিধি :
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিংবা সহকারি কমিশনার ভ‚মি নন, বীর মুক্তিযোদ্ধার অন্তিম অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানালেন উপজেলা সহকারি সমাজ সেবা কর্মকর্তা। এ ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায়।
গত বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা সদরের গোন্দারদিয়া মহল্লার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সোনাউল্লাহ শেখ (৭২) নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ওইদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে স্থানীয় বনমালিদিয়াস্থ শাহ হাবিব কবরাস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মৃত এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন দেওয়ার জন্য ইউএনও কিংবা এসি ল্যান্ড উপস্থিত ছিলেন না। রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সালাম গ্রহণ করেন উপজেলা সহকারি সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. বাবুল আক্তার।
বাবুল আক্তার বলেন, এর আগে তিনি কোন দিন কোন বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অনুষ্ঠানে ছিলেন না। এটি তার কাজও নয়। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়ানোর অনুষ্ঠান দিয়ে মধুখালীর ইউএনও ব্যস্ত থাকায় উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার সুপারিশে এবং ইউএনওর সম্মতিতে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধার ওই গার্ড অফ অনার অনুষ্ঠানে যান।
এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে মধুখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সংসদের সাবেক কমান্ডার খুরশিদ আলম বলেন, এটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি অপমানজনক ঘটনা। নিময় হচ্ছে ইউএনওকেই এ সম্মাননা প্রদান করতে হবে। ইউএনও রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকলে এসি ল্যান্ড এ দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু এই উপজেলায় এসি ল্যান্ড থাকা সত্তে¡ও তাঁকে না পাঠিয়ে তৃতীয় শ্রেণি থেকে সবে মাত্র দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়া এক কর্মকর্তাকে দিয়ে এ কাজ করানোর এ ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, এটি সুষ্পষ্টভাবে একটি অন্যায় কাজ। কোন নিয়মের মধ্যেই এ ঘটনা ফেলা যাবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশাসন যেরকম মূল্যায়ন করে না এটি তারই একটি উদাহরণ।
জানতে চাইলে মধুখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশীকুর রহমান বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের অনুরোধ করেছিলাম প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানের শেষে জানাজা দিতে। ওই অনুষ্ঠানের পর আমি ফুল নিয়ে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু পরে জানতে পারি জানাজার পর দাফন দেওয়া হয়েছে বীর ওই মুক্তিযোদ্ধাকে। এ জন্য আমার করার কিছুই ছিল না।
‘আমি কর্তব্যকাজে অবহেলা করিনি’- দাবি করে ইউএনও বলেন, সহকারি সমাজসেবা কর্মকর্তাকে মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে বলা হয়েছেলি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় গার্ড অফ অনারের সময় কিভাবে সহকারি সমবায় কর্মকর্তা সালাম নিয়েছেন তা আমার জানা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category