জানা যায়, বাজিদাদপুর গ্রামের নুরুল আলম শেখের জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার খবর পেয়ে ইউএনও অভিযান চালান। অপরদিকে রুপাপাত ইউনিয়নের সুতালিয়া গ্রামে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার অপরাধে আরেকটি ভেকু পুড়িয়ে দেন ইউএনও। এ সময় জমির মালিক বিলাশ শেখকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এদিকে ভেকু পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের নিকটসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ কাজী মহিদুল ইসলাম।
ক্ষতিগ্রস্ত ভেকুর মালিক আব্দুল আলিম অভিযোগ করে বলেন, কোন রকম নোটিশ ছাড়াই এই ঘটনা ঘটান। তিনি বলেন, তেলজুড়ি বাজারে মা এন্টারপ্রাইজ নামে আমার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেখানে আমি ট্রলি ও ভেকু গাড়ী ভাড়া দিয়ে কোন রকম ভাবে জীবিকা নির্বাহ করি। গত বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) বিকালে বাজিদাদপুর গ্রামে নুরু মোল্লার বাড়ীতে একটি পুরাতন পুকুর খনন করাকালে বিনা নোটিশে হঠাৎ করে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিম আসেন। তিনি এসে কোন কথা না বলেই আমার ২টি ট্রলি গাড়ী ভাংচুর করতে থাকে এবং পাশে থাকা ভেকু গাড়ীটি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে আমার প্রায় ১ (এক) কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়।
তিনি আরও বলেন আমি বিদেশ থেকে এসে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ও ধার দেনা করে উক্ত গাড়ী তিনটি ক্রয় করেছিলাম। এখন আমি সর্ব শান্ত হয়ে গেছি। তিনি এই বিষয়ে সরকারের উচ্চ মহলের সহায়তা প্রত্যাশা ও বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন যাবত উপজেলার বিভিন্নস্থানে মাটি ও বালু খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। আমরা তারই অংশ হিসেবে ওইখানে যাই। সেখানে গিয়ে ভেকু ও ট্রলি জব্দ করে সেগুলো বিনষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া জমির মালিক নুরু মোল্লাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় বলে তিনি আরও জানান।