বোয়ালমারীতে রাস্তা করলেন উপজেলা পরিষদ তুলে ফেললেন রেল কর্তৃপক্ষ
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১
৬০৯
Time View
বোয়ালমারীতে রাস্তা করলেন উপজেলা পরিষদ তুলে ফেললেন রেল কর্তৃপক্ষ
নিজস্ব প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে রাস্তা নির্মাণ করলেন উপজেলা পরিষদ আর তা এক মাস না যেতেই রাস্তা ইট তুলে ফেললেন রেলওয়ে কতৃপক্ষ। ফলে উপজেলা পরিষদের এডিপি প্রকল্পের দুই লক্ষ টাকা ভেস্তে যেতে বসেছে। মুলত রেলওয়ে কতৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে রেলের জায়গায় রাস্তা করার কারনে সদ্য নির্মিত রাস্তার ইট তুলে ফেলা হয় বলে রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বাইখির রেলক্রসিং থেকে রেলের পাশ দিয়ে এক মাস আগে ৫২৫ ফুট দৈর্ঘ্যের ইটের সোলিংয়ের রাস্তা নির্মাণ করেন উপজেলা পরিষদ।স্থানীয় সরকার বিভাগের টাকা(এডিপি) ২ লক্ষ টাকা দিয়ে এই রাস্তা করা হয়। কিন্তু সোমবার (২ আগস্ট) ওই রাস্তার ইট তুলে ফেলে...
148
নিজস্ব প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে রাস্তা নির্মাণ করলেন উপজেলা পরিষদ আর তা এক মাস না যেতেই রাস্তা ইট তুলে ফেললেন রেলওয়ে কতৃপক্ষ। ফলে উপজেলা পরিষদের এডিপি প্রকল্পের দুই লক্ষ টাকা ভেস্তে যেতে বসেছে। মুলত রেলওয়ে কতৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে রেলের জায়গায় রাস্তা করার কারনে সদ্য নির্মিত রাস্তার ইট তুলে ফেলা হয় বলে রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বাইখির রেলক্রসিং থেকে রেলের পাশ দিয়ে এক মাস আগে ৫২৫ ফুট দৈর্ঘ্যের ইটের সোলিংয়ের রাস্তা নির্মাণ করেন উপজেলা পরিষদ।স্থানীয় সরকার বিভাগের টাকা(এডিপি) ২ লক্ষ টাকা দিয়ে এই রাস্তা করা হয়। কিন্তু সোমবার (২ আগস্ট) ওই রাস্তার ইট তুলে ফেলে জায়গা পরিস্কার করছেন রেলওয়ে কতৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী রেল স্টেশনের দায়িত্বরত সুপার ভাইজার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রেলের পাশ দিয়ে রেলের জমিতে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে রেলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানিয়ে। এই রাস্তার কারনে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই উর্ধ্বতন কর্মকর্তারদের নির্দেশে রাস্তার ইট তোলা হচ্ছে।
চতুল ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ সেলিমুজ্জামান লিটু বলেন, আমি রেলের পাশ দিয়ে মাটি কেটে জনসাধারনের চলাচলের জন্য বেশ কয়েকবার মেরামত করেছি। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে রাস্তায় ইট বসিয়ে কাজ করতে গেলে রেল কোম্পানী বাঁধা দেয়। তার পর আমি আর ইটের কাজ করি নাই। যারা এই রাস্তায় ইটের কাজ এনে কাজ করেছেন। তারা অবশ্যই সরকারী অর্থ নষ্ট করেছেন।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা প্রকৌশলী একেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, রাস্তার নাম তো আমি দেই না। রাস্তার নাম দেন উপজেলা চেয়ারম্যান। এডিপির ফান্ডের টাকা হলো উপজেলা চেয়ারম্যানের। আমি শুধু টেন্ডার করার দ্বায়িত্বে।